• শুক্র. ডিসে ২, ২০২২

নেইমারের গোল ছাড়াই ব্রাজিল এর কাছে পাত্তা পেল না ঘানা

সেপ্টে ২৪, ২০২২
নেইমারের গোল ছাড়াই ব্রাজিলের কাছে পাত্তা পেল না ঘানা

ঘানার বিপক্ষে ৩-০ গোলে জয় পেয়েছে ব্রাজিল । যদিও গোলের দেখা পায়নি নেইমার। তারপরও টিকতে পারেনি ঘানা।

তবে ম্যাচের অবিসংবাদিত সেরা খেলোয়াড় নেইমারই ছিলেন। তার দারুণ নৈপুণ্যেই বিশ্বকাপের আগে শেষ আন্তর্জাতিক ফুটবলের উইন্ডোর

প্রথম ম্যাচে দাপুটে জয়টা তুলে নিল ব্রাজিল। ঘানার বিপক্ষে ব্রাজিল সবশেষ খেলেছে সেই ২০১১ সালে। ১১ বছর আগের সেই ম্যাচে ব্রাজিল

জিতেছিল ১-০ গোলে। আর সামগ্রিক হিসেবেও ব্রাজিলকে কখনো হারাতে পারেনি ঘানা, পারেনি একটা ড্র আদায় করে নিতেও।

সোনালি যুগের ঘানা যেটা পারেনি, সেটা যে বর্তমান ঘানাও পারবে না, সেটা একরকমই অনুমেয় ছিল। মাঠের খেলায় পাওয়া গেল তারই প্রমাণ।

ফ্রান্সের লু আভহাতে শুক্রবার রাতে আন্তর্জাতিক প্রীতি ম্যাচে ঘানাকে ৩-০ গোলে উড়িয়ে দিয়েছে ব্রাজিল। মার্কুইনহোস দলকে এগিয়ে নেওয়ার

পর জোড়া গোল করেন রিচার্লিসন। তিন গোলের দুটিতে অবদান ছিল নেইমারের। ঘানার বিপক্ষে ১১ বছর পর খেলতে নামা ব্রাজিল ৬৩ ভাগ

বল দখলে রেখে মোট ২১টি শট নেয়, যার মধ্যে ৯টি ছিল লক্ষ্যে। অন্যদিকে ৭ শটের মাত্র একটি লক্ষ্যে রাখতে পারে ঘানা।

পঞ্চম মিনিটে প্রথম সুযোগ পায় ব্রাজিল। ডান দিকের বাইলাইনের কাছ থেকে লুকাস পাকেতার পাসে উড়িয়ে মারেন রিচার্লিসন। এক মিনিট

পর ভিনিসিয়াস জুনিয়রের পাস বক্সের ভেতর পেয়েও শট লক্ষ্যে রাখতে পারেননি পাকেতা। তবে গোলের জন্য বেশিক্ষণ অপেক্ষা করতে

হয়নি সেলেসাওদের। ম্যাচের নবম মিনিটে রাফিনহার কর্নারে অনেকটা লাফিয়ে উঠে হেডে দলকে এগিয়ে নেন পিএসজির ডিফেন্ডার মার্কুইনহোস।

ম্যাচে প্রথমবার এগিয়ে যেতে সেলেসাওদের সময় লাগে নয় মিনিট। কর্নার থেকে আনমার্কড মার্কুইনহোসের হেড জড়িয়ে যায় ঘানার জালে।

উল্লাসে ফেটে পড়ে গ্যালারি। এরপর কয়েক দফায় পালটা আক্রমণ করলেও, গোলের সুযোগ তৈরি করতে পারেনি ঘানা। উলটো বার্সেলোনার

রাফিনহার একের পর এক মিস করলে, হতাশ হন সমর্থকরা। ২৮ মিনিটে দুর্দান্ত এক গোল করে দলকে এগিয়ে দেন রিচার্লিসন। তার নান্দনিক

টাচ অনেক দিন মনে রাখবেন স্টেডিয়ামের দর্শকরা। পরে প্রথমার্ধ্ব ফুরিয়ে যাওয়ার পাঁচ মিনিট আগে নিজের জোড়া গোল পূরণ করেন রিচার্লিসন।

নেইমারের ফ্রি কিক থেকে দারুণ এক হেড করে স্কোর করেন টটেনহ্যাম ফরোয়ার্ড। বিরতি থেকে ফিরে বেঞ্চের শক্তি পরখ করার নেশায়

মাতেন তিতে। একাদশে আনেন চার পরিবর্তন। রিচা-ভিনির সাথে উঠিয়ে নেন ক্যাসিমিরো ও সিলভাকেও। তবে, ঘানাইয়ানরাও ততক্ষণে

গুছিয়ে নিয়েছে নিজেদের। তাই তো স্কোর করা হয়নি আর সেলসাওদের। একের পর এক আক্রমণ হয়েছে অনেক, কিন্তু পরিকল্পনাহীন

আক্রমণগুলো পায়নি লক্ষ্যের দিশা। পরে রাফিনহাকে বদলে রদ্রিগোকে নামিয়েও কোনো সুবিধা করতে পারেননি ব্রাজিল বস।

শেষ পর্যন্ত প্রথমার্ধ্বের দেয়া সেই তিন গোলের জয় নিয়েই সন্তুষ্ট থাকতে হয় ব্রাজিলকে।