• শনি. জানু ২৮, ২০২৩

বগুড়ায় তীব্র শীতে ভাপা পিঠা বিক্রির ধুম

জানু ৮, ২০২৩

বগুড়ায় তীব্র শীতে ভাপা পিঠা বিক্রির ধুম

তীব্র শীত আর কনকনে ঠান্ডার মাঝে বগুড়ায় জমে উঠেছে ভাপা পিঠা বিক্রি।

অস্থায়ী দোকানে ভ্যানে করে শহরের বিভিন্ন এলাকায় এসব পিঠা বিক্রি করছেন নিম্ন আয়ের মানুষেরা।

সরজমিনে দেখা গেছে, শহরের সাতমাথায় বিগত বছরের দিনগুলোর চেয়ে

এই বছর শীতের পিঠা বেঁচা-বিক্রি বেড়েছে। অন্য বছরের তুলনায় চলতি

বছর শীতের প্রকোপ কিছুটা বেশি হওয়ার কারণে সন্ধ্যার পর পরই

শহরের প্রাণকেন্দ্র সাতমাথা ও তার আশেপাশে এলাকায় অস্থায়ী ভ্রাম্যমাণ পিঠার দোকানগুলোতে ভিড় বেড়েছে।

দোকানিরা বলছেন, শীতের শুরু থেকে এই ভাপা পিঠা বিক্রি শুরু

হলেও তীব্র শীতের কারণে এখন এর চাহিদা খানিকটা বেড়েছে।

বাঙ্গালিয়ানার সাথে নবান্ন ও শীতকাল ওতপ্রোতভাবে জড়িত।

ক্রমেই শীতকালে পিঠা ও পায়েশের আমেজ দিন-দিন হারিয়ে যাচ্ছে।

তবে বাঙালিয়ানা সংস্কৃতিতে ভাপা পিঠা ছাড়া শীতকাল যেন কল্পনা

করা যায় না। বাড়িতে শীতকালে পিঠা তৈরির উৎসবের মতো ব্যাপার

থাকলেও তা এখন ব্যবসায়িক রূপ নিয়ে বাজার পর্যায়ে চলে এসেছে।

এতে করে মৌসুমি বিক্রেতার পাশাপাশি নারীরাও এই পেশায় যুক্ত হয়েছেন।

শহরের সাতমাথা এলাকায় ১২ বছর ধরে পিঠার ব্যবসা করছেন বুলবুল।

তাকে সহযোগিতা করেন হান্নান। তারা জানা, এথানে প্রতি পিস ভাপা

পিঠা ১৫ টাকায় বিক্রি হয়। দৈনিক সাথারণত ৩০০ থেকে ৪০০ পিস

পিঠা বিক্রি হয়। এতে করে তাদের দৈনিক লাভ থাকে ৮০০-১০০০ টাকা।

ব্যবসার অভিজ্ঞতার আলোকে তারা জানান, আগে লাভ বেশি হতো।

কিন্তু বর্তমানে বাজারমূল্য বেড়ে যাওয়ার কারণে আগের মতো আর

লাভ হয় না। তবুও শীতকালীন এই ব্যবসা চালিয়ে যেতে হচ্ছে।

সাধারণ ক্রেতাদের অভিযোগ, দাম বাড়ালেও পিঠার মান ও আকার

কোনটাই বাড়েনি। কিন্তু বাড়িতে পিঠা তৈরির বাড়তি ঝামেলা

এড়াতে বাধ্য হয়ে তারা এসব দোকান থেকে পিঠা কিনছেন।

আরও আপডেট নিউজ জানতে ভিজিট করুন