• শুক্র. ডিসে ২, ২০২২

বিএনপি-পুলিশ ও আওয়ামী লীগের ত্রিমুখী সংঘর্ঘ, আহত ২০

নভে ১৮, ২০২২

বিএনপি-পুলিশ ও আওয়ামী লীগের ত্রিমুখী সংঘর্ঘ, আহত ২০

সিরাজগঞ্জের কামারখন্দে জামতৈল রেলওয়ে স্টেশন এলাকায়

বিএনপির সঙ্গে পুলিশ ও আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীদের ত্রিমুখী সংঘর্ষে

সহকারি পুলিশ সুপার, জেলা বিএনপির সভাপতি ও সাধারণ

সম্পাদকসহ অন্তত ২০ জন আহত হয়েছে। এ সময় দোকানপাট ও গাড়ি ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে।

আহতদের মধ্যে সাবেক সংসদ ও জেলা বিএনপির সভাপতি

রোমানা মাহমুদ, সাধারণ সম্পাদক সাইদুর রহমান বাচ্চু, কামারখন্দ

সহকারি পুলিশ সুপার আদনান মুস্তাফিজ, থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা নুরন্নবী

প্রধানসহ ৬ পুলিশ সদস্য ও আওয়ামী লীগ এবং বিএনপি নেতাকর্মীরা রয়েছেন।

সিরাজগঞ্জ জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সাইদুর রহমান বাচ্চু বলেন,

আগামী ৩ ডিসেম্বর রাজশাহীর জনসভা সফল করতে কামারখন্দ

দলীয় কার্যালয়ে আলোচনা হয়েছে। এতে দলের কেন্দ্রীয় নেত্রী

সৈয়দা আসিফা আশরাফী পাপিয়া, জেলা বিএনপির সভানেত্রী রুমানা মাহমুদসহ নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

আলোচনা সভা শেষে দলীয় কার্যালয় থেকে বেরিয়ে আমরা রেলওয়ে

স্টেশনের উপর আসার পর আ.লীগের নেতাকর্মীরা আমাদের উপর

অতর্কিত হামলা চালায়। এ সময় তারা সাবেক এমপি জেলা

বিএনপির সভাপতি রুমানা মাহমুদের গাড়িসহ বেশ কয়েকটি

মোটর সাইকেল ভাঙচুর করে। আমরা প্রতিরোধ করতে গেলে পুলিশ

আমাদের উপর গুলি চালায়। এতে রুমানা মাহমুদ ও আমি নিজেসহ অন্তত ১০ জন নেতাকর্মী আহত হয়েছি।

কামারখন্দ উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আনোয়ার হোসেন শেখ

এসব অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, এখানে বিএনপির মধ্যে গ্রুপিং রয়েছে।

তাদের মধ্যে দ্বন্দ্বের এক পর্যায়ে স্টেশনের উপর অবস্থান করা

আওয়ামী লীগের ৬/৭ জন নেতাকর্মীর উপর তারা হামলা চালিয়ে আহত করে।

আওয়ামী লীগের কেউ তাদের উপর হামলা করে নি।

কামারখন্দ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নুরন্নবী প্রধান বলেন,

পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করতে গেলে বিএনপির নেতাকর্মীরা পুলিশের উপর হামলা চালায়।

বাধ্য হয়ে ছড়ড়া গুলি বর্ষণ করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করে। বর্তমানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে।

সহকারি পুলিশ সুপার (কামারখন্দ সার্কেল) আদনান মুস্তাফিজ জানান,

বিএনপি তাদের প্রোগ্রাম শেষ করে জামতৈল স্টেশন এলাকায়

দোকান-পাট ও মোটর সাইকেল ভাঙচুর শুরু করে। বাঁধা দিতে গেলে

তারা পুলিশের উপর ইট-পাটকেল ও লাঠিসোটা নিয়ে হামলা করে।

তাদের হাতে ধারালো অস্ত্রও ছিল। তাদের হামলায় আমি ও থানার ওসিসহ ৬ পুলিশ সদস্য আহত হয়েছি।

আরও আপডেট নিউজ জানতে ভিজিট করুন