• শুক্র. ডিসে ২, ২০২২

বৃথা গেল লরকান টেকারের লড়াই, ৪২ রানের জয় অস্ট্রেলিয়ার

অক্টো ৩১, ২০২২
লরকান

লরকান টেকারের হার না মানা ৭১ রানের ইনিংসেও জয়ের বন্দরে পৌঁছাতে পারলো না আয়ারল্যান্ড।

অস্ট্রেলিয়ার দেয়া ১৮০ রানের লক্ষ্যে ব্যাটিংয়ে নেমে ১৩৭ রানেই থেমেছে আইরিশদের ইনিংস। ফলে ৪২ রানের জয় নিয়ে পয়েন্ট টেবিলের শীর্ষ দুইয়ে উঠে এলো অস্ট্রেলিয়া।

১৮০ রানের লক্ষ্য তাড়ায় শুরুটা ভালোই করেছিলো আইরিশরা। এন্ড্রু বালবির্নি ও পল স্টার্লিংয়ের উদ্বোধনী জুটিতে ১.৫ ওভারে ১৮ রান সংগ্রহ করে ফেলে তারা।

দ্বিতীয় ওভারের শেষ বলে প্যাট কামিন্সের শিকার হয়ে বালবির্নি ফিরলে ব্যাটিং ধ্বস নামে আইরিশ শিবিরে৷ পরের ৭ রান করতেই আরো ৪ উইকেট হারায় আয়ারল্যান্ড।

বালবির্নি ফেরার এক বল পরেই ম্যাক্সওয়েলের শিকারে পরিনত হন পল স্টার্লিং, তিনি করেন ৭ বলে ১১ রান।

সেই ওভারের শেষ বলেই হ্যারি টেক্টরও ফিরে যান। পরের ওভারে মিচেল স্টার্কের জোড়া আঘাতের শিকার হন কার্টিস ক্যাম্ফার ও জর্জে ডকরেল।

দুজনেই ফিরেন ০ রানে। ফলে চার ওভারেই মাত্র ২৫ রানে ৫ উইকেট হারিয়ে ফেলে আয়ারল্যান্ড।

সেখান থেকে জুটি গড়ে দলকে ধ্বংসস্তূপ থেকে উদ্ধার করার চেষ্টা অব্যাহত রাখেন লরকান টেকার ও গ্যারেথ ডিলানি।

৪৮ রানের জুটি গড়ে ব্যক্তিগত ১৪ রানে গ্যারেথ ডিলানি ফিরলেও মার্ক আদিরকে নিয়ে আরো একটি জুটি গড়ে তোলেন লরকান টেকার।

মার্ক আদির ১১ করে ফেরার পর ৬ রান করে ফিরেন ফিয়ন হ্যান্ডও।

একপাশ আগলে ততক্ষণে অর্ধশতক স্পর্শ করে ফেলেন লরকান টেকার। শেষ পর্যন্ত ম্যাচের সর্বোচ্চ ৪৮ বলে ৭১ রানে অপরাজিত থাকেন তিনি।

তবে তার এই লড়াকু ইনিংস আয়ারল্যান্ডের জয়ের জন্য যথেষ্ট হতে পারেনি। সতীর্থদের ব্যর্থতায় নির্ধারিত লক্ষ্যের ৪২ রান আগেই থামতে হয়েছে তার দলকে।

দুটো করে উইকেট নেন স্টার্ক, কামিন্স, ম্যাক্সওয়েল ও জাম্পা।

এর আগে ব্রিসবেনে টস হেরে ব্যাট করতে নামে অস্ট্রেলিয়া। আজো ভাগ্য সুপ্রসন্ন হয়নি ডেভিড ওয়ার্নারের।

ফিরেছেন ৭ বলে মাত্র ৩ রানে। তবে আরেক ওপেনার অধিনায়ক অ্যারন ফিঞ্চের অ্যারন

ফিঞ্চ করেন ৪৪ বলে ৬৩ রানের দায়িত্বশীল ইনিংসে বড় সংগ্রহ পায় অস্ট্রেলিয়া।

প্রথমে মিচেল মার্শের সাথে গড়ে তোলেন ৫২ রানের জুটি। ২২ বলে ২৮ রান করে মিচেল মার্শ ফিরে গেলে,

ফের ২৪ রানের জুটি গড়ে তোলেন গ্লেন ম্যাক্সওয়েলকে সাথে নিয়ে।

ম্যাক্সওয়েলও ফিরে গেলে ১১ ওভার শেষে অস্ট্রেলিয়ার সংগ্রহ দাঁড়ায় ৩ উইকেটে ৮৪ রান।

এরপর মার্কুস স্টয়নিসকে সাথে নিয়ে ঝড়ো গতিতে রান বাড়াতে থাকেন ফিঞ্চ।

দুইজনের ৩৬ বলের জুটিতে অস্ট্রেলিয়ার স্কোরবোর্ডে আসে ৭০ রান।

১৬.৫ ওভারে ব্যারি ম্যাকার্থির তৃতীয় শিকার হয়ে অ্যারন ফিঞ্চ ফিরে গেলে ভাঙে এই আগ্রাসী জুটি।

ফিঞ্চ ফিরে গেলে ফের রানের গতি কমে আসে, ১৮ তম ওভারে আসে মাত্র ৩ রান।

১৯ তম ওভারে মাত্র ৪ রান দিয়ে স্টয়নিসকে নিজের দ্বিতীয় শিকার বানান জশুয়া লিটিল।

২৫ বলে ৩৫ রান করেন স্টয়নিস। তবে শেষ ওভারে টিম ডেভিড ও ম্যাথু ওয়েড মিলে ১৭ রান সংগ্রহ করলে ৫ উইকেটে ১৭৯ রানের সংগ্রহ পায় অস্ট্রেলিয়া।