• সোম. ডিসে ৫, ২০২২

ভর্তি পরীক্ষার ফি ‘ভাগ–বাঁটোয়ারা’

অক্টো ১২, ২০২২
ভর্তি

ভর্তি পরীক্ষার ফি বাবদ শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে নেওয়া অর্থের মধ্যে প্রায় ৮ কোটি টাকা ‘ভাগ–বাঁটোয়ারা’ করে নিয়েছেন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের সংশ্লিষ্ট কাজে দায়িত্বপ্রাপ্ত শিক্ষক ও কর্মকর্তারা।

যদিও এই অর্থ বিশ্ববিদ্যালয়ের তহবিলে জমা হওয়ার কথা।

নিয়ম হলো, বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি ফরম বিক্রি করে যে টাকা আয় করবে, তার ৬০ শতাংশ পরীক্ষাসংক্রান্ত খাতে ব্যয় করতে পারবে। আর ৪০ শতাংশ বিশ্ববিদ্যালয়ের কোষাগারে দিতে হবে। জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে এ নিয়মটি মানা হয়নি।

বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) তদন্তে অনিয়মের এই ঘটনা উঠে এসেছে। এতে এই অর্থ বিশ্ববিদ্যালয়ের তহবিলে জমা দেওয়ার জন্য নির্দেশনা দিতে সুপারিশ করা হয়েছে।

তদন্ত প্রতিবেদনে ভর্তি পরীক্ষায় দায়িত্ব পালনের জন্য কে কত টাকা নিয়েছেন, তা–ও উল্লেখ করা হয়েছে। যেমন উপাচার্য সম্মানী নিয়েছেন ৩ লাখ ৪০ হাজার টাকা।

উচ্চ পদে দায়িত্বে থাকা ব্যক্তিরা বড় অঙ্কের অর্থ নিয়েছেন, যা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে।

ইউজিসি তদন্তটি করেছে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) অনুরোধে। গত ৯ জানুয়ারি ইউজিসির

সদস্য অধ্যাপক আবু তাহেরকে আহ্বায়ক করে তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছিল।

কমিটি বিশ্ববিদ্যালয়ে গিয়ে নথিপত্র পর্যালোচনা ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের সঙ্গে কথা বলে সম্প্রতি

প্রতিবেদনটি তৈরি করেছে।জানতে চাইলে তদন্ত কমিটির প্রধান অধ্যাপক আবু তাহের প্রতিবেদন

জমা দেওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেন। তবে এর বাইরে তিনি কিছু বলতে চাননি।

দেশে পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের সংখ্যা ৫৩। বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে ভর্তি পরীক্ষার ফরম বিক্রির সময়

বিপুল সংখ্যক পরীক্ষার্থী অংশ নেন। এতে বড় অঙ্কের অর্থ আয় করা যায়।

ভর্তির সময় দেখা যায়, নিম্নবিত্ত পরিবারের শিক্ষার্থীদের একাধিক বিশ্ববিদ্যালয়ে একাধিক ফরম কেনা

ও পরীক্ষা দেওয়ার ক্ষেত্রে যাওয়া-আসায় বড় অঙ্কের অর্থ ব্যয় করতে হয়।

বহু পরিবারের সেই সামর্থ্যই থাকে না। বিশ্ববিদ্যালয়গুলো বছর বছর ফরমের দামও বাড়ায়।

ভর্তি পরীক্ষায় দায়িত্ব পালনকারী শিক্ষক-কর্মকর্তারা কত টাকা সম্মানী হিসেবে নিতে পারবেন,

সে বিষয়ে ইউজিসির কোনো নীতিমালা নেই।

শুধু মোট অর্থের কত শতাংশ ব্যয় করা যাবে, কত শতাংশ বিশ্ববিদ্যালয়ের তহবিলে জমা দিতে হবে, সেই নিয়ম রয়েছে।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের অধ্যাপক এম তারিক আহসান বলেন,

যোগ্যতা শিথিল রেখে বিপুলসংখ্যক শিক্ষার্থীকে পরীক্ষায় অংশ নেওয়ার সুযোগ দেওয়া হয়

ব্যবসায়িক মনোবৃত্তি থেকে।

এ থেকে বেরিয়ে আসতে হবে। তিনি বলেন, বেশ কয়েকটি পাবলিক পরীক্ষার মাধ্যমে একজন শিক্ষার্থী

যখন বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হতে আসেন, তখন তাঁকে আবার একটি মুখস্থবিদ্যানির্ভর পরীক্ষায় বসতে

বাধ্য করা হয়। তাহলে আগে যে পরীক্ষাগুলো তিনি দিয়েছেন, সেগুলোর যৌক্তিকতা কী।

অধ্যাপক তারিক আহসান আরও উল্লেখ করেন, বাংলাদেশের পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি

পরীক্ষার ব্যবস্থাটি পুরোনো। এটা বদলাতে হবে।

তদন্তে কী এল
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে ৩৪টি বিভাগ ও ৩টি ইনস্টিটিউট (স্নাতক পর্যায়ে শিক্ষার্থী ভর্তি করা হয়) রয়েছে। আসনসংখ্যা ১ হাজার ৮৮৮।

ইউজিসির তদন্তে যে আর্থিক অনিয়ম উঠে এসেছে, তা ২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষে স্নাতক (সম্মান) প্রথম

বর্ষে ভর্তির সময়ের। ওই বছর একেকটি আসনের বিপরীতে ১৯১ জন শিক্ষার্থী ভর্তি পরীক্ষায় অংশ নিয়েছিলেন। সংখ্যায় তাঁরা সাড়ে ৩ লাখের বেশি। তদন্ত প্রতিবেদন বলছে, এতে বিশ্ববিদ্যালয়টির

আয় হয় প্রায় ২০ কোটি টাকা। এই অর্থের ৪০ শতাংশ বা প্রায় ৮ কোটি টাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের তহবিলে

জমা দেওয়ার কথা।

ভর্তি ফরম বিক্রির ৪০ শতাংশ অর্থ যে বিশ্ববিদ্যালয়ের তহবিলে জমা দিতে হবে, সেই সিদ্ধান্ত হয়েছিল ইউজিসির পূর্ণ কমিশন সভায়, ২০১৩ সালে। তদন্ত প্রতিবেদন বলছে, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়

ভর্তি পরীক্ষার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট নয়—এমন খাত দেখিয়ে এই টাকা ব্যয় করেছে। তহবিলে জমা দেয়নি।

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক নুরুল আলম (ঘটনার সময় তিনি সহ–উপাচার্য ছিলেন) গতকাল মঙ্গলবার বলেন, যা হয়েছে, তা বিশ্ববিদ্যালয়ের নিয়ম অনুযায়ী হিসাব দেওয়া হয়েছে।

তার পরেও বিষয়টি যেহেতু আর্থিক, তাই এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের কোষাধ্যক্ষের সঙ্গে কথা বলার পরামর্শ দেন তিনি।

কে কত টাকা নিয়েছেন

ইউজিসির তদন্ত প্রতিবেদনে উঠে এসেছে, ২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষে ভর্তি পরীক্ষায় মোট ব্যয়ের মধ্যে শুধু পারিশ্রমিক ও পরিদর্শন বাবদ খরচ দেখানো হয়েছে প্রায় ১২ কোটি ৬৪ লাখ টাকা।

প্রতিবেদনে কে কত টাকা পারিশ্রমিক নিয়েছেন, তার তথ্য তুলে ধরে বলা হয়, কেন্দ্রীয় ভর্তি পরীক্ষা পরিচালনা কমিটির সভাপতি হিসেবে তখনকার উপাচার্য অধ্যাপক ফারজানা ইসলাম নিয়েছেন ৩ লাখ

৪০ হাজার টাকা, তৎকালীন সহ–উপাচার্য (শিক্ষা) ও বর্তমানে উপাচার্য অধ্যাপক নুরুল আলম নিয়েছেন

৩ লাখ ৩৫ হাজার টাকা, তখনকার সহ–উপাচার্য (প্রশাসন) মো. আমির হোসেন নিয়েছেন ৩ লাখ ৩৫ হাজার টাকা, কোষাধ্যক্ষ শেখ মঞ্জুরুল হক (বর্তমানে সহ–উপাচার্য, প্রশাসন) নিয়েছেন ৩ লাখ

৩৫ হাজার টাকা এবং রেজিস্ট্রার রহিমা কানিজ নিয়েছেন ১ লাখ ৬৫ হাজার টাকা।

নিরাপত্তা কমিটিতে দায়িত্ব পালনকারী শিক্ষকেরা পরিদর্শকের সমপরিমাণ অর্থাৎ ১ লাখ ৬৫ হাজার

টাকা করে এবং কর্মকর্তারা সাড়ে ৮২ হাজার করে নিয়েছেন। আর কর্মচারীরা নিয়েছেন বিভিন্ন হারে।

তদন্ত প্রতিবেদনে বলা হয়, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় ভর্তি পরীক্ষা কমিটি ও নিরাপত্তা

কমিটির আহ্বায়ক এবং সদস্যরা ভর্তি পরীক্ষা থেকে যে সম্মানী বা পারিশ্রমিক নিয়েছেন, তা যৌক্তিক

হারে নির্ধারণ করার প্রয়োজন ছিল। ভর্তি পরীক্ষাসংক্রান্ত সমুদয় কার্যক্রম বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ ও

সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের দায়িত্বের অংশও বটে।

মুক্তিযোদ্ধা সন্তান কোটাসহ বিভিন্ন কোটার যাচাই-বাছাই কমিটি, আসন ব্যবস্থাপনা কমিটি, সম্মানী

বণ্টন কমিটিসহ বিভিন্ন কমিটির সদস্যরা অস্বাভাবিক হারে সম্মানী নিয়েছেন বলেও উল্লেখ করা হয়

তদন্ত প্রতিবেদনে।

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন শিক্ষক প্রথম আলোকে বলেন, চলতি

বছরের ভর্তি পরীক্ষায় তিনি পাঁচ দিন পরীক্ষার হলে পরিদর্শক হিসেবে দায়িত্ব পালন করে ১ লাখ ২১

হাজার টাকা পেয়েছেন। তিনি বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের শীর্ষ পদে থাকা ব্যক্তিরা ভর্তি পরীক্ষার ক্ষেত্রে

আসলে কয়েকটি সভা ছাড়া কোনো কাজ করেন না। তবে যাঁরা প্রশ্নপত্র তৈরি করেন, তাঁদের বেশ কষ্ট করতে হয়।

ফরমের দাম বাড়ছেই

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে ফরমের দাম প্রায়ই বাড়ানো হয়। যেমন এ বছর ভর্তির ক্ষেত্রে ফরমের

দাম ৩০০ টাকা বাড়ানো হয়েছিল। চারটি ইউনিটে ফরমের মূল্য নির্ধারণ করা হয় ৯০০ টাকা।

শুধু একটি ইউনিটে মূল্য বাড়ানো হয়নি। উল্লেখ্য, এ বছর ইউনিট ১০টি থেকে কমিয়ে ৫টি করা হয়েছে।

যে বছরের অনিয়ম ইউজিসির প্রতিবেদনে উঠে এসেছে, সেই বছরও ফরমের দাম বাড়ানো হয়েছিল।

তখন ফরমের মূল্য নির্ধারণ করা হয় ইউনিটভেদে ৪০০ থেকে ৬০০ টাকা, যা আগের বছর ছিল ৩৫০

থেকে ৫৫০ টাকা। তদন্ত প্রতিবেদনে বলা হয়, ওই বছর ফরমের দাম বাড়ানো হয় শিক্ষার্থীদের তীব্র

আপত্তি উপেক্ষা করে।

ফরমের দাম বাড়ানোর এই প্রবণতা শুধু জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় নয়, অন্য বিশ্ববিদ্যালয়েও দেখা

যায়। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে এ বছর ফরমের দাম নির্ধারণ করা হয়েছিল ১ হাজার টাকা, যা আগের বছর

ছিল ৬৫০ টাকা। চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে ২০০ টাকা বাড়িয়ে ফরমের দাম ৮৫০ টাকা করা হয়।

আর রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় আগে থেকেই ফরমের দাম ১ হাজার ১০০ টাকা নিচ্ছে।

উপাচার্যদের সঙ্গে ইউজিসির এক সভায় গত এপ্রিলে সিদ্ধান্ত হয়েছিল, ফরমের দাম কমানো হলে মোট

আয়ের যে ৪০ শতাংশ অর্থ বিশ্ববিদ্যালয়ের তহবিলে দেওয়ার কথা, সেখানে ছাড় দেওয়া হবে।

কিন্তু এটা মানা হয়নি, উল্টো কেউ কেউ ফরমের দাম বাড়িয়েছে।

শিক্ষার্থীদের দুর্ভোগ ও আর্থিক ক্ষতি কমাতে কয়েক বছর ধরে আলোচনা পর ২২টি সাধারণ এবং

বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় স্নাতক (সম্মান) প্রথম বর্ষে গুচ্ছ ভিত্তিতে ভর্তি পরীক্ষা নেওয়া শুরু

করে গত বছর থেকে। আরও কয়েকটি বিশ্ববিদ্যালয়ে গুচ্ছ ব্যবস্থা আছে।

তবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়, বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় (বুয়েট) এবং কয়েকটি বিশেষায়িত বিশ্ববিদ্যালয় আলাদাভাবে

ভর্তি পরীক্ষা নিচ্ছে।অভিযোগ আছে, বড় বিশ্ববিদ্যালয়গুলো গুচ্ছ ভিত্তিতে ভর্তি পরীক্ষার বাইরে

থাকতে চায়। তার অন্যতম একটি কারণ শিক্ষকদের অনীহা। এতে তাঁদের আয় কমে যাবে।

নিরীক্ষার সুপারিশ

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় নিয়ে ইউজিসির তদন্ত প্রতিবেদনে আরও কিছু অনিয়মের কথা বলা
হয়েছে।

যেমন ভর্তি খাত থেকে ইউনিটের একাডেমিক উন্নয়নের জন্য প্রায় ১ কোটি ৩২ লাখ টাকা

ছাড় করা হয়েছে। কিন্তু এই টাকা কোন কাজের জন্য, তা নথির নোট বিবরণীতে উল্লেখ নেই।

বিল-ভাউচার জমা দেওয়ারও শর্ত না দিয়ে টাকা ছাড় করা হয়েছে, যা আর্থিক শৃঙ্খলার পরিপন্থী।

তদন্ত প্রতিবেদনে ভর্তিসংক্রান্ত আগের বছরগুলোর আয় ও ব্যয় যথাযথভাবে সম্পন্ন করা হয়েছে কি

না, তা নিরীক্ষা করতে কমিটি গঠন; ভর্তি পরীক্ষাসংক্রান্ত কার্যক্রম যে দায়িত্বের অংশ, সে বিষয়ে

পদক্ষেপ নিতে চিঠি দেওয়া এবং ভবিষ্যতে আর্থিক শৃঙ্খলা রক্ষার জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণসহ

কিছু সুপারিশ করেছে তদন্ত কমিটি।

ভর্তি পরীক্ষায় ফরমের চড়া দাম, ফি বাবদ পাওয়া অর্থ ভাগ–বাঁটোয়ারা ও উচ্চহারে সম্মানী

নেওয়ার বিষয়ে শিক্ষাবিদ ও ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের ইমেরিটাস অধ্যাপক মনজুর আহমেদ বলেন,

এটি অত্যন্ত অনৈতিক ব্যাপার। ভর্তি হবে শিক্ষার্থীরা, সেখানে ফরম বিক্রি করে এত ফি নেওয়ার

কোনো যুক্তি নেই।

ন্যূনতম খরচের জন্য যেটুকু নেওয়া দরকার, সেটি নিলে নিতে পারে। সেটিও বিশ্ববিদ্যালয় নিজেরাই

খরচ করতে পারে। কারণ, ভর্তি তো বিশ্ববিদ্যালয়ের নিয়মিত একটি প্রক্রিয়া।

তিনি বলেন, এটি তো পাবলিক সার্ভিস (জনসেবা)। এ জন্য এভাবে সবাই মিলে টাকাপয়সা ভাগাভাগি

করে নেওয়া অনৈতিক ব্যাপার।

উপাচার্যের পরামর্শ অনুযায়ী জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক রাশেদা আখতারের

সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, প্রথমত, প্রতিবেদন বা এ–সংক্রান্ত চিঠি তাঁর কাছে যায়নি।

দ্বিতীয়ত, ওই সময় তিনি কোষাধ্যক্ষ ছিলেন না। প্রতিবেদন তাঁর কাছে না যাওয়া পর্যন্ত তিনি কিছু

বলতে পারবেন না।

আরও আপডেট নিউজ জানতে ভিজিট করুন